বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
Logo The Founding of YouTube A Short History Logo প্রকৃতি, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার অপূর্ব মেলবন্ধন কুষ্টিয়ার মনি পার্ক Logo Logo রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: কার্যনির্বাহী সদস্য শামসুল ইসলাম ও রেজাউল করিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ Logo মিথ্যা মামলায় আটক সাংবাদিক মিশাল মন্ডলসহ দুইজন জামিনে মুক্ত।। জেলগেটে সহকর্মীদের ফুলেল সংবর্ধনা” Logo মিথ্যা মামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে রাজশাহী বিভাগজুড়ে প্রতিবাদ সভার ঘোষণা Logo Скачать UPX – Быстрый архиватор для сжатия исполняемых файлов79442 Logo এপস্টেইন কেলেঙ্কারিতে এবার যুক্তরাজ্যের রয়্যাল লজ ছাড়লেন রাজা চার্লসের ভাই অ্যান্ড্রু Logo ট্রাম্পের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ও নিরাপত্তাব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে: এইচআরডব্লিউ Logo মব ভায়োলেন্স বলে কিছু নেই, নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপনার শিশু কি নাক ডাকে? তার এই রোগটি থাকতে পারে

রিপোর্টার: / ৪৮ বার পড়া হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

ছোট্ট শিশু রাফসান, ঘুমের সময় নাক দিয়ে শব্দ হয়। এ ছাড়া প্রায়ই কানের সংক্রমণ ও গলাব্যথা লেগে থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরীক্ষায় জানা গেল, ওর অ্যাডিনয়েডের সমস্যা আছে। অ্যাডিনয়েড একটি ছোট্ট গ্রন্থি, যা লসিকা কোষ দিয়ে তৈরি। আমাদের শ্বাসতন্ত্রের উপরিভাগের নাক ও গলার মাঝামাঝি এটি অবস্থিত। এর আরেক নাম ফ্যারিনজিয়াল টনসিল। এটি টনসিলের মতোই আমাদের শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেমের একটি অংশ। মুখের ভেতর প্রবেশ করা জীবাণু থেকে প্রাথমিক প্রতিরক্ষা দেয় এটি। শিশুর পাঁচ থেকে সাত বছর বয়স পর্যন্ত অ্যাডিনয়েড বাড়তে থাকে। শিশুরা স্কুল জীবনে পৌঁছানোর পর এটি ছোট হতে শুরু করে এবং কৈশোরে একেবারেই ছোট হয়ে যায়।

আরও পড়ুন
শীতে নাক বন্ধের সমস্যায় করণীয়
শীতে নাক বন্ধের সমস্যায় করণীয়
কী হয়

সাধারণত ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি জীবাণু ও অ্যালার্জির কারণে অ্যাডিনয়েড অতিরিক্ত বড় হয়ে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শিশুর যে লক্ষণগুলো দেখা যায় তা হলো নাক বন্ধ থাকা, নাকে পানি পড়া, নাকডাকা, নাকের বদলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া, শ্বাস–প্রশ্বাসে ব্যাঘাত এমনকি ঘুমের মধ্যে খানিকক্ষণের জন্য শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে (অবসট্রাকটিভ স্লিপ এপনিয়া)। এ ছাড়া ঘনঘন কান পাকা বা কানের ইনফেকশন এবং সাইনোসাইটিসের সমস্যা হতে পারে।

চিকিৎসা

অল্প সমস্যায় লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করলেই চলে। যেমন নাক বন্ধ থাকলে নাকের স্প্রে। কিছু ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক লাগে। এ ছাড়া প্রচুর পানি ও পুষ্টিকর খাবার খেয়ে ইমিউনিটি ঠিক রাখতে হবে। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আ্যডেনয়েকটমি বা অস্ত্রোপচার করা লাগতে পারে।

সূত্র: প্রথম আলো


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Design & Developed by : Ecare Solutions